সিরাজগঞ্জ সদর থানার ২নং বাগবাটি ইউনিয়নের হরিণা পিপুল বাড়িয়া বাজারের তেহেরি ঘরে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা , এখানে প্রতিদিন তেহরী খাবার নামে এই দোকানের ৩ তলায় চলে অসামাজিক কার্যকলাপ। ঘটনা সূত্রে জানা যায় , দুপুর বেলা তেহরি ঘরের তিনতলায় উঠে বাথরুমের ভিতরে দরজা বন্ধ করে তরুণ তরুণী অসামাজিক কার্যক্রম করে । এ সময় তেহরি খেতে আসা কয়েকজন যুবক এটি হাতে নাতে ধরে তাদের । পরে ওই যুবক-যুবতীর থেকে জানতে পারা যায় যে তারা প্রতিনিয়তই এইভাবে তেহরি ঘরে এসে বাথরুমের ভিতরে অসামাজিক কার্যক্রম করে । শুধু তারাই না আরও অনেকই এখানে আসে। দোকানের মালিক পংখী এসব কাজের জন্য ৫০০ টাকা করে নিয়ে থাকে । এইভাবেই দীর্ঘ দিন ধরে এই ব্যবসা চালিয়ে আসছে । এছাড়াও তার দোকানের ৩ তলার ছাদে ইয়া’বা সেবন, ইয়া’বা ট্যাবলেট বিক্রি, গা’জা বিক্রি থেকে শুরু করে সকল কিছুই চলে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে । তার অসামাজিক কার্যক্রম চালানোর জন্য আশেপাশের দোকানদাররা অতিষ্ট হয়ে আছে । আশেপাশের দোকানদাররা বারবার সতর্ক করার পরেও পংখি সে কারো কথা না মেনে অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে । ইয়াং জেনারেশন মধ্যে গাঁ’জা ইয়া’বা বিক্রি করে যুব সমাজকে ধ্বংস করছে । এছাড়াও তেহেরি বিক্রির নামে রমরমা দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে । প্রতি কাপোল প্রতি ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে ১ ঘণ্টা করে সময় দিচ্ছে । তাই হরিনা পিপুলবাড়িয়া বাজারবাসী চায় এ দোকানের অনৈতিক কার্যকলাপ অতি দ্রুত বন্ধ হোক । ভিডিওর ওই মেয়ের থেকে গহনা কেরে নেয় পংক্ষীর বাবা ।এছাড়াও মালিগাতির রিপন নামের একজন তার দোকান থেকে তেহরি পার্সেল নিয়ে ছিলো বাড়ি গিয়ে দেখে তেহরির ভিতরে তেলাপোকার পাখা পাওয়া গেছে । তার খাবারের মান খুবই নিম্ন মানের । এজন্য সচেতন মহল, এবং যুব সমাজ এবং আলেম দ্বীনি ভাই বোনদের এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি এবং সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অতি দ্রুত এই দোকানদার পঙ্খীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি ।



