শনিবার,১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাজিপুরের কুনকুনিয়া দক্ষিণপাড়া সড়ক নির্মাণ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখে “সববেলা নিউজ” ও “জল যমুনা” নামে দুটি ফেসবুক আইডিতে কুনকুনিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং বৃষ্টির পানির কারণে সড়ক ধসে পড়েছে—এমন শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচার করা হয়। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ৬নং মাইজবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. ফরিদুল ইসলাম ফরিদ।
প্রতিবাদ লিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট সড়কটি নির্ধারিত মান বজায় রেখে উন্নতমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণ শেষে একাধিক ভারী বৃষ্টিপাত হলেও সড়কটি সম্পূর্ণ অক্ষত ছিল। বৃষ্টির পানি বা নিম্নমানের কাজের কারণে নয়, বরং গভীর পুকুরের মাঝ দিয়ে নির্মিত সরু সড়কে অতিরিক্ত বোঝাই ইটবাহী ট্রাক প্রবেশ করায় দুর্ঘটনাবশত সড়কের একটি অংশ ধসে পড়ে।
তিনি জানান, গত ৩০ জুলাই ইট ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম প্রায় ২,৫০০টি ইট বোঝাই একটি ট্রাক নিয়ে ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় সড়কের পশ্চিম প্রান্তে ট্রাকটির এক্সেল ভেঙে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে ট্রাকটি রাস্তার দক্ষিণ পাশে কাত হয়ে পড়লে অতিরিক্ত চাপে সড়কের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়, সড়কটির দুই পাশে গভীর পুকুর এবং কয়েকজন ভূমি মালিকের জমি দিতে আপত্তির কারণে পরিকল্পিত ১০ ফুটের পরিবর্তে কোথাও ৮ ফুট, আবার কোথাও ৭ ফুট প্রশস্ত করে সড়ক নির্মাণ করতে হয়েছে। এমন সরু সড়কে অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাক চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও পরিকল্পিতভাবে ট্রাক প্রবেশ করিয়ে সড়কটির ক্ষতি করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম ফরিদ অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে নিজেদের দায় এড়াতে কয়েকজন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া সড়ক নির্মাণকাজ চলাকালেও বিভিন্নভাবে বাধা, হয়রানি এবং চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে। তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই যেন সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করেন এবং প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সহযোগিতা করেন।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন