নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার জুবায়ের বাজার-কাটাখালী এলাকায় মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে কয়েক কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙনের ফলে শত শত একর ফসলি জমি, অসংখ্য বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীতে হারিয়ে গেছে। অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, বাজার ও বিভিন্ন অবকাঠামো নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সম্প্রতি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান ভূঁইয়া ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের আশ্বাস প্রদান করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, বর্তমানে নদীর ভাঙন যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, তাতে শুধু জিওব্যাগ দিয়ে স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।
এলাকাবাসীর মতে, টেকসইভাবে নদীভাঙন রোধ করতে হলে দ্রুত ব্লক নির্মাণ (কংক্রিট ব্লক স্থাপন) প্রকল্প গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই ভাঙনকবলিত এলাকার সর্বস্তরের জনগণ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছেন, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্লক নির্মাণের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ করা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক।




