উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সুসংগঠিত রূপ তৈরিতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনীর বীর সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে শাহাদাতবরণকারী সেনাসদস্যদের ত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি পেশাদার ও আধুনিক সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কিংবা রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা, পেশাগত যোগ্যতা, সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সামরিক শৃঙ্খলাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা ভূয়সী প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা এবং বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রশংসনীয় অবদান রেখে আসছে। এ সময় তিনি সেনাবাহিনী প্রধানসহ পুরো বাহিনীর সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।

এর আগে সকালে সেনাসদরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সেনাপ্রধান।