বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার আনোয়ার হোসেন, পিতা মৃত শাজাহান আলী, বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার সোনার গাঁ গ্রামের বাসিন্দা। তার ছেলে নেই শুধু দুটো মেয়ে (১) মোছাঃ হুমাইরা খাতুন (১৫) (২) মোছাঃ মার্জিয়া খাতুন। সেবগুড়া জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। তাই সে এখন বড় মেয়েকে ছেড়ে ছোট মেয়েকে নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছে। জানা যায় মোঃ আনোয়ার হোসেন তার মা হত্যা ও চাঁদাবাজের ব্যাপারে বিচার চেয়ে প্রথমে ধুনট থানায় অবিযোগ দায়ের করলে ধুনট থানার সাবেক ওসি সাইদুল আলম তার অভিযোগের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। নিরুপায় হয়ে ভুক্ত ভোগী আনোয়ার বগুড়া জেলা প্রশাসক ও এসপি বরাবের অভিযোগ দায়ের করলে তখনকার ডিসি আফরোজা বানু বিষয়টা গুরুত্ব সহকারে দেখন এবং তদন্তের জন্য এসপির মাধ্যমে ধুনট থানায় প্রেরন করলেও ওসি সাইদুল আলম অভিযোগটির কোন গুরুত্ব দেয়নি। এই দিকে ঘাতক বিবাদী পক্ষ বিনাশর্ত অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য বাদীর একের পর এক ক্ষতি করতে থাকে। প্রথমে তারা তার দুই মেয়েকে অপহরন করে। আনোয়ার দুটো মেয়ের জন্য দিশে হারা হয়ে দিক বিদিক খোঁজতে থাকে এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করে। থানার ওসি আতিকুল ইসলাম (বিপি নং-৭৮০৬১০০৪৪২) তদন্তভার এস আই মুনজুর মোর্শেদকে দেয়। কিন্ত মুনজুর মোর্শেদ (বিপি নং ৭৬৯৬০২২৯৪৮) অভিযোগের ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেই নাই। যার ফল শ্রতিতে মমি খাতুন বড় মেয়ে হুমাইরা খাতুনকে স্ট্যাম্পের মাধমে বিক্রি করে এবং ছোট মেয়েকে ইতিম খানায় ভর্তি করে। এত বড় বিষাদময় ঘটনা ঘটার পরেও ওসির মন গলেনি। কোন ব্যবস্থাও নেয়নি। আনোয়ার হোসেন থানায় গিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া অভিযোগ পত্রের হদিস এবং থানায় অভিযোগ থাকার পরেও কেন তার বড় মেয়ে স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে বিক্রি হয় এবং ছোট মেয়ে ইতিম খানায় ভর্তি করানো হওয়ার কারণ জানতে চাই। ঘুষ খোর ওসি আতিকুল ইসলাম বিবাদীদের নিকট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ খেয়ে, ঘুষের টাকা হজম করার জন্য ভিক্টিমকে জানান ডিসির অভিযোগ কোথায় আছে আমি জানি না এবং মেয়ে বিক্রি হয়েছে আমি তাই কি করবো। ভিক্টিমকে এস আই ওসমান গণির (বিপি নং-৭৩৯২০৬৮৩৮৪ হাতে তুলে দেয়। ওসমান গণি তাকে টিনের ছাপরা ঘরে নিয়ে এলো পাথারি ভাবে চড় থাপ্পর লাত্তি ঘুষি মারে। নিরাপরাধ আনোয়ার হোসেনকে বিনা অপরাধে এইভাবে মারা সত্যি বে-আইনি কাজ। সে ওসি এবং এস আই ওসমান গনিকে ধিক্কার জানায় আনোয়ার বিষয়টা ডি.আই.জি, এস.পি, ডি.সি বরাবর অভিযোগ জানালেও তারা কোন বিচার করেনি। বড় মেয়ে স্ট্যাম্পে বিক্রি হওয়া ব্যাপারে ধুনট উপজেলা ইউ.এন.ও অফিস বরাবরে অভিযোগ দিলে ইউ.এন.ও আরিফ উল্লাহ নিজামী জানান আমার কিছু করার নাই। আর এই সব ঘটনার নাটের গুরু হলো একই গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হযরত আলী সানোয়ার। পিতা মৃত ইচাহাক আলী আকন্দ। এলাকায় তার দুর্নীতির দৌরাত্ব এতই বেড়ে গেছে যে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিতে সাহস পায়না। আনোয়ার হোসেন উচ্চ পদস্ত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।




