এনসিপির গাড়িবহরে হামলা এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টি। হামলার নিন্দা করেছে বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামও।
জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধী দলের ওপর সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়েছে সরকার। বিএনপির হামলাকারী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেছে জামায়াত।
বুধবার বিবৃতিতে এসব কথা বলেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এবং জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, গত ২৮ জুলাই এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা করা হয়। পরেরদিন মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে বিভিন্নস্থানে নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের বাধা দিয়েছে। যা গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের শামিল। এই ধরণের আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে জনগণ, রাজনৈতিক দল বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে কারো ওপর হামলার স্থান গণতন্ত্রে নেই। কারো বক্তব্য যদি আক্রমণাত্মক হয়, তবে এর জবাব রাজনৈতিকভাবে দিতে হবে। কিন্তু কথার জবাব সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেওয়া পূর্বের ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। সরকার রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েছে।


