শুক্রবার,১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন পেতে টাঙ্গাইলের সেলিনা খলিল তালুকদার আশাবাদী

 সেলিনা খলিল তালুকদার  বিএনপির একজন একনিষ্ঠ কর্মী। তিনি টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার বেতুয়া  গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা ইব্রাহীম তালুকদার ছিলেন একজন নামকরা সমাজ সংস্কারক। বিখ্যাত সাহিত্যিক সব্যসাচি লেখক প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁর একনিষ্ঠ সহযোগী। প্রতিষ্ঠা কালীন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি। বড় দুই ভাই পর্যায়ক্রমে ততকালীন থানা যুবদলের সভপতির দায়িত্ব পালন করে। পরিবারের সবাই বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার সুবাদে তার রাজনীতির হাতে খরি ছোট বেলা থেকেই। প্রথমে তিনি ভূঞাপুর পৌরসভা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ২০১০ সালে। ২০১৮ সালে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে সেলিনা ভূঞাপুর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সহসভাপতি ও ইতালি মহিলা দলের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।
জানা গেছে, ২০১০ সাল থেকে টানা তিনি জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। রাজপথের রাজনীতি করে তিনি সাফল্যের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন। এসব আন্দোলনে তিনি বহুবার হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এবং স্বামীর অর্থনৈতিক সাফল্যের কারনে দুঃসময়ে তিনি বিভিন্ন নেতাদের পাশে দাড়িয়েছেন বটবৃক্ষের মত।
সেলিনা খলিল, ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ইবরাহীম খাঁ সরকারি  কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। পরে ঢাকা থেকে এম এ পাশ করে। তার পার্শ্ববর্তী একই এলাকার বাহাদীপুর গ্রামের ইতালি প্রবাসী খলিল তালুকদারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর সুদুর ইতালি চলে যান। এবং ইতালিতে অবস্থান করা কালিন সেখানকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হন। বর্তমানে তার দুই পুত্র সন্তান ইতালির প্রকৌশলী হিসেব  কর্মরত আছে।
সেলিনা বলেন, বিগত আন্দোলন সংগ্রামে যারা মাঠে ছিল তাদেরকে যেহেতু দল এবার নারী সংরক্ষিত আসনে মূল্যায়ন করবে, সেদিক থেকে বিবেচনা করলে অবশ্যই আমি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে সুযোগ দেন তবে আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো এবং নিজেকে দেশের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত রাখবো ইনশাল্লাহ। বিএনপির দুঃসময়ে বিভিন্ন মামলার জামিন করতে যেমন পাশে থেকেছি বর্তমানে তার ব্যতয় হবে না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল না, যার কারণে দলের নেতাকর্মীরা কোনো কোনো ক্ষেত্রে হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছে। তবে দল এখন ক্ষমতায় এসেছে, তাই যারা দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, ত্যাগী, নির্যাতিত, মামলা-হামলার শিকার তাদের মূল্যায়নের সুযোগ এসেছে এবং দল তাদের মূল্যায়ন করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন