ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়পুর ইউনিয়নের সেজামুড়া পূর্বপাড়ায় প্রতিবন্ধী মোঃ হাফেজ শরিফ ভূঁইয়ার কলাবাগান। এ যেন ঘন-সবুজের মাঝে নতুন স্বপ্নের হাতছানি। বাগানটি দেখলে মনে পড়ে যায় পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের রাখাল ছেলে কবিতাটি কথা। যেখানে কবি বলেছিলেন: রাখাল ছেলে, রাখাল ছেলে, বারেক ফিরে চাও। বাঁকা গায়ের পথটি বেয়ে কোথায় চলে যাও? ওই যে দূরে মাঠের পারে সবুজঘেরা গা, কলার পাতা দোলায় চামর, শিশির ধোয়ায় পা। তবে এখানের গল্পটা একটু ভিন্ন। রাতের আঁধারে কে বা কাহারা একে একে ধ্বংস করে দিচ্ছে প্রতিবন্ধী শরীফ ভুঁইয়ার স্বপ্ন। এক দুই করে কেটে ফেলা হচ্ছে তার ১৯০ টি কলাগাছ। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে ওঠা বাগানটি এভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী হাফেজ শরীফ ভূঁইয়া। কোন কারণে ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক শত্রুতার জেরে প্রকৃতি ও জীবনের উপর এমন নারকীয় আচরণ কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এমন অনাকাঙ্ক্ষিত অনাচার থেকে মুক্তি ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।




