মঙ্গলবার,১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপিতে শূন্য হবে দুই পদ, আলোচনায় রিজভী

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন—এটি চূড়ান্ত ধরেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কে হচ্ছেন, তা নিয়ে এই মুহূর্তে দলটির ভেতরে-বাইরে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি মন্ত্রিসভায় মির্জা ফখরুলের জায়গায় কে আসবেন এবং তার নির্বাচনী আসনে উপ-নির্বাচনে কাকে প্রার্থী করা হবে, সেটি নিয়েও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

বিএনপির একাধিক স্থায়ী কমিটির সদস্য বলছেন, ‘যদি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হন, তাহলে এই মুহূর্তে শুধুমাত্র দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এর বাইরে দল ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতি হওয়ার কারণে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতেও একটি পদ শূন্য হবে। এর আগেও মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার হওয়ার কারণে স্থায়ী কমিটির আরেকটি পদ শূন্য হয়। ফলে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের শূন্য দুই পদে নতুন কাউকে অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা থাকছে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলছেন, আসছে শীতকাল, অর্থাৎ নভেম্বরের শেষ দিকে অথবা ডিসেম্বরে দলের জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাই স্থায়ী কমিটির শূন্য পদে এই মুহূর্তে কাউকে অন্তর্ভুক্ত করা না হতে পারে।

‘‘তুলনামূলক তরুণ কেউ মহাসচিব পদে আসারও সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মীবান্ধব নেতাকেই এ পদের জন্য বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে। মূলত আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পছন্দ এবং তার সঙ্গে অ্যাডজাস্ট হতে পারে এমন কাউকেই মহাসচিব করা হতে পারে বলে আমার ধারণা’’ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সম্ভাবনাই বেশি। আর স্থায়ী কমিটির শূন্য পদে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নামও রয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন