রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের(ইউপি)গুড়ইল গ্রামের ছিন্নমুল ও অসহায় ভুমিহীন একটি পরিবারকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা শুরু করেছে মিন্টু নামে এক প্রভাবশালী।এনিয়ে গ্রামবাসির মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসি কঠোর অবস্থান নিয়ে তাদের দৃস্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বয়োজ্যেষ্ঠ জানান,মিন্টু ও সাজ্জাদ অবৈধ সুবিধা না পেয়ে এসব করছে।গ্রামবাসি তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের অভিমত যেখানে বিগত সরকার ভূমিহীনদের নিঃখরচায় সেমি পাকা বাড়ি করে দিয়েছেন।আবার বর্তমান সরকার ছিন্নমূল ভুমিহীনদের ভাগ্যর উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন।সেখানে সরকারি পরিত্যক্ত জায়গা থেকে ভুমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদের চেস্টা করা দন্ডনীয় অপরাধ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসি প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,মিন্টু ও সাজ্জাদ সরকারি ওই ডোবা দখলে নেয়ার উদ্দেশ্যে ভুমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদের চেস্টা করছে।এমনকি ভুমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদের দাবি করে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছে।তারা বলেন,গ্রামবাসি বিক্ষুব্ধ যেকোনো সময় মিন্টু ও সাজ্জাদকে গণপিটুনি দিতে পারে।
জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দুরে পাঁচন্দর ইউনিয়নের(ইউপি) প্রত্যন্ত পল্লী গুড়ইল মাঠে পরিত্যক্ত সরকারি খাস ডোবা রয়েছে।গ্রামবাসির সহায়তায় গ্রামের ছিন্নমুল ও ভুমিহীন সালমান আলী সেখানে বাঁশের বেড়া-তাটি দিয়ে কোনো রকমে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।যে জমি সরকারের কোনো কাজে আসবে না,সেই পরিত্যক্ত
জমিতে বসবাস করছে একটি ভুমিহীন পরিবার। অথচ সেই ভুমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা শুরু করেছে মিন্টু ও তার সহযোগী গুড়ইল গ্রামের নমির উদ্দিন মন্ডলের পুত্র সাজ্জাদ আলী।এনিয়ে গ্রামবাসির মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এবিষয়ে সালমান আলী বলেন,তিনি ভুমিহীন হতদরিদ্র মানুষ তার মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই,তাই তিনি বাধ্য হয়ে গ্রামবাসির সহায়তা নিয়ে মাঠের মধ্যে পরিত্যক্ত খাস জমিতে কুঁড়ে ঘর করে কোনো রকমে বসবাস করছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মিন্টু ও সাজ্জাদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তাদের ফসলের জমির ক্ষতি হচ্ছে তাই তারা অভিযোগ করেছেন।