দিগন্ত জোড়া সবুজ মাঠে তরমুজ গাছ ও ফলে ভরে উঠেছে প্রতিটি ক্ষেত। কৃষকরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পরিচর্যায় সময় পার করছেন। আগাছা দমন, পানি সেচ, সার ওষুধ প্রয়োগ এবং রাত জেগে তরমুজ ক্ষেত পাহাড়া দিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি দফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬০হেক্টের। বাস্তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চাষাবাদ করা হয়েছে ২৫০হেক্টর।
চরফ্যাশন উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন চর এলাকায় তরমুজের চাষ করা হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নের অমরপুর, চরমাদ্রাস, আসলামপুর, জিন্নাঘর, ওসমানগন্জ,এলাকায় তরমুজ চাষ করেছেন কৃষকরা। চরমাদ্রাজ কৃষক জামাল বলেন, আমাদের ফলন ভালো হয়েছে এবার ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করি। কোন কোন ক্ষেতের তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে।মৌসুমের শুরুতে ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে বলে চাষিদের চোখে মুখে আনন্দ দেখা দিয়েছে। কৃষকরা বেশ কিছু ক্ষেতের ফলন রোজার মধ্যেই বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান।



