চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ঝুপড়ি’র নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়েছে। সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের তানিয়া কালাম এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দর্শন বিভাগের মোহাম্মদ এরশাদ করিম। নবনির্বাচিত ১৩ সদস্যের এই কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।
শুক্রবার (২৬ জুন) নগরের ষোলশহরে সংগঠনের কার্যালয়ে অফলাইনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে অনলাইনেও সদস্যদের ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।
নবনির্বাচিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— রাজীব বিশ্বাস (অর্থনীতি), অনিক বড়ুয়া (ফিন্যান্স), মো. ইদ্রিস (ইতিহাস), সাকিয়া সুলতানা (দর্শন), বেলায়েত হোসেন (অর্থনীতি), মো. সাইফুল আজম (ইংরেজি), মহুয়া মহাজন (ইতিহাস), মো. আলমগীর খান (সামাজিক বিজ্ঞান), মো. এনামুল হক (অর্থনীতি), মো. ইসমাইল (অর্থনীতি) এবং জয়ীতা মজুমদার (অ্যাকাউন্টিং)।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তাজদার আলম, গোলাম রাব্বানী, ফারহানা কবির, হাসান উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইলিয়াস।
ফলাফল ঘোষণার পর সংগঠনের সদস্যরা নবনির্বাচিত কমিটিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় অনুভূতি প্রকাশ করে সভাপতি তানিয়া কালাম বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাস যেমন আমাদের প্রাণ, তেমনি ঝুপড়িও হবে আমাদের প্রাণের ঝুপড়ি।” তিনি সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ থেকে ঝুপড়িকে আরও সমৃদ্ধ করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এরশাদ করিম বলেন, “সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বকে আমি কোনো পদ বা ক্ষমতার জায়গা থেকে দেখি না। আমি এটিকে দেখি একটি সেতুর দায়িত্ব হিসেবে—বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর, ব্যাচের সঙ্গে ব্যাচের এবং প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মের সংযোগ তৈরির দায়িত্ব। আমি চাই, ঝুপড়ির প্রতিটি সদস্য নিজেকে এই পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করুক এবং তার মতামত ও অংশগ্রহণ প্রতিটি কর্মকাণ্ডে মূল্যায়িত হোক।”
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আত্মিক বন্ধন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও আজীবন সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠে ‘ঝুপড়ি’। পুনর্মিলনী, সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ, অসহায় সদস্যদের সহায়তা, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে সংগঠনটি ইতোমধ্যে ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আস্থার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে কল্যাণমূলক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সদস্যরা।




