মঙ্গলবার,২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,১১ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে লাঠিচার্জে আহতদের দেখতে হাসপাতালে সারজিস

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারিদের বিচারের দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জের ঘটনায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে সারজিস আলম যখন পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে আসেন প্রায় একই সময়ে সেখানে আসেন জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইনসহ অন্য রাজনৈতিক নেতারাও আহতদের দেখতে যান। তারা আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
পরে সারজিস আলম সংবাদকর্মীদের বলেন, আমাদের ভাই শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারিদের বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ করেছিল বিক্ষোভকারীরা। সেখানে কার নির্দেশনায় হামলা হয়েছে সেটা বের করতে হবে। দোষীদের বের করতে হবে।

জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামানের বলেন, আমরা আর্মির (সেনাবাহিনী) কাছে শুনেছি, তারা জনদুর্ভোগ কমাতে সড়ক থেকে তাদের (বিক্ষোভকারী) সরিয়ে দিতে গিয়ে কেউ হয়তো আঘাত পেয়েছে। আর ছাত্ররা বলেছেন, লাঠিচার্জে তারা আহত হয়েছেন। আমরা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবো।

এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে রোববার রাতে ‘বাংলাদেশপন্থী শিক্ষার্থীদের’ ব্যানারে আবারও জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্র-জনতা। এতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন।

এর আগে, বিকেলে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারিদের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ চলাকালীন লাঠিচার্জে আহত ২৩ জনকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা জনগণের প্রথম প্রত্যাশা থাকে ভালো আচরণ: তারাগঞ্জে নবনির্বাচিত এমপি এটিএম আজহারুল ইসলাম

রংপুর–২ (তারাগঞ্জ–বদরগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন,