ইনকিলাব আরবি শব্দ, যার মানে হলো বিপ্লব, বিদ্রোহ, পালাবদল বা মৌলিক পরিবত্তন। এই পরিবত্তনের ডাক দিয়ে গড়িলেন ইনকিলাব মঞ্চ। স্বতন্ত প্রাত্থী হিসেবে ঢাকা ৮ আসনের ভোট কত্তি চাইলেন। ভোট চাতি যাইয়ে একবার তার গায় ময়লা পানি মারিল কিচু কুচক্করে।
গায় ময়লা খাইয়েও তিনি কইলেন আমারে পানি মাইরে যদি কারো সুখ হয়তো তো তাই হোক। কাল শুক্করবারের আগের শুক্করবার জুমার নামাজের পর ঢাকার পুরোনো পল্টনের বক্স কালভাট রাস্তায় চাজ্জিং রিকশায় যাচ্চিলেন তিনি। রিকশায় তার সাথে আরাকজন ছিলেন। রিকশার পেছন পেছন সাইকেল মোটরে দুইজন আসছিলো। একজন চালাচ্ছিল আরাকজন পাছে চাদর গায় জড়ায়ে দিয়ে বইসে ছিল। ঘড়ির কাটায় তকন দুপার ২ ডো ২৪ মিনিট।
রিকশা চলন্ত অবস্থায় সাইকেল মোটরের পেছনে বইসে থাকা লোকটা হটাস চাদরের মদ্দি পিস্তল বাইরো কইরে গুলি করে। দুপার বেলায় রাস্তায় ভিড়ভাট্টা না থাকায় টকাস কইরে পলায় যায় তারা। হুটোপাটা কইরে তারে ঢাকা মেডিকেলে নিয়া হইলো। স্যানতে জানা গিল তার মাতায় গুলি লাইগেচে। মেডিকেলের ডাক্তাররা তার পেত্তম অস্তপোচার করেন। অবস্তা বেগতিক হওয়ায় স্যানতে তারে নিয়া হয় এভারকিয়ার হাসপাতালে।
এরমদ্দি চাউর হয় যারা ঘাতক তারা গুলি কইরে ১২ ঘণ্টার মদ্দি ময়মনসিংহোর হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পলায় গেচে। সোমবার উন্নত চিকিসসের জন্যি তারে ইয়ার অ্যাম্বুলেসে কইরে সিঙ্গাপুরি নিয়া হইলো। তার সাতে তার ভাই ছাড়াও বাংলাদেশি ডাক্তার নাসরা গিলো। বিসসুদবারেত্তে রটিল তার অবস্তা করুণ। যায় যায় ভাব। সারেদিন নানান আসতি লাগছিল।
শেষমেষ বিসসুদবার রাত পৌনে ১০টার দিকি দুইনের মায়া কাটায়ে না ফিরার দেশে চইলে যান তিনি। শুক্কুরবার দুপারে জাতীয় পতাকায় জড়ায়ে তার মরাদেহ দেশে আসে। স¹লির চাওয়া ছিল তিনি সুস্ত হইয়ে ফেরবেন। কপালের ফেরে ফেল্লেন কফিনি শুয়ে। এই খবর ছড়ায় পড়লি সারাদেশে শোকের ছায়া নাইমে আসে। শোকরে শক্তি বানায়ে মিছিলি মিছিলি সরগরম ছিল রাজপত। স¹লির মুকি মুকি ছিল আমরা সবাই হাদী হবো, গুলির মুকি কতা কবো।
সত্যি কতা কতি হিম্মত লাগে। যা অনেক বড় বড় নিতাগের মদ্দি দেকা যায় না। কিন্তুক হাদী চাচা কাটা কতা সাহস কইরে কইয়ে পেছনের কাতারেত্তে যে ভাবে সুমকি চইলে আইলেন সিডা অনেকের কাছে সিনেমার গল্পোর মতো।
সেই গল্পোর শেষটা যে ইরাম নির্মম হবে সিডা কেউ আশা করিনি। মানুষ চইলে যায় থাকে তার কম্ম। তিনি চইলে গেলিও বাইচে থাকপেন বিপ্লব শব্দডা যকনই উচ্চারিত হবে তকনই।
ইতি- অভাগা আক্কেল চাচা




