জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পাকা রাস্তা নির্মাণ কাজ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তাদের দাবি রাস্তা নির্মাণ কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়।স্থানীয়রা বলছে, একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে রাস্তার কাজ বিলম্বিত এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করতেই উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের (ইউপি) হারুঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উত্তর ভাবকি গুচ্ছগ্রাম পর্যন্ত এক হাজার ২৪৫ মিটার রাস্তা পিচ ঢালাইয়ের কাজে উপযোগী করতে নির্মাণ কাজ চলছে। এই রাস্তা নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক কোটি ৫৪ লাখ টাকা। রাস্তা নির্মাণ কাজের কার্যাদেশ পেয়েছেন মেসার্স রাবা কনস্ট্রাকশন,তবে রাস্তা নির্মাণ কাজ করছেন ঠিকাদার জাহিদ হাসান। এই রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি পাবে,একইসঙ্গে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখবে,সহজ হবে উপজেলা সদরের সঙ্গে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে”বালুর সাথে মিশানো হচ্ছে রাবিশ ও মাটি হাতের চাপায় ভেঙ্গে যাচ্ছে খোয়া”‘শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে ঠিকাদার কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত দাবি করে বলেন,যেখানে সবেমাত্র কাজ শুরু হয়েছে,এখানো কাজের মেয়াদ শেষ হয়নি,এমনকি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল দেয়া হয়নি, এমতাবস্থায় উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ করা কতটা যৌক্তিক ? অন্যদিকে এসব অপপ্রচার নিয়ে সচেতন মহল ও নাগরিকগণের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র জানায় ঠিকাদারী কার্যাদেশ না পেয়ে একটি মহল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুনামক্ষুন্ন ও উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করতে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এসব মিথ্যা এবং মনগড়া তথ্য সরবরাহ করেছে। সংবাদে আরো বলা হয়েছে, ঠিকাদারকে সহযোগিতা করছেন উপজেলা প্রকৌশলী ও উপসহকারী প্রকৌশলী। অথচ এসব অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উপাত্য কারো কাছে নাই, ফলে এসব মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
উত্তর ভাবকি এলাকার ইমন আলী, আরমান ও করিম বলেন, উপজেলা প্রকৌশলীকে অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে ঠিকাদার ভালো মানের কাজ করছে।
